বাংলালিংক সম্পর্কে

২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করার এক যুগ পর বাংলাদেশে বাংলালিংক সংযোগ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। মোবাইলে যোগাযোগকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী করে তোলার ক্ষেত্রে বড় অবদান রেখেছে এই প্রতিষ্ঠানটি। বাংলালিংক-এর সাফল্যের মূলে ছিল একটি সাধারণ মিশন, ‘মোবাইলে যোগাযোগকে সবার নাগালে আনা’, যেটি বাংলালিংক-এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।

গ্রাহক-কেন্দ্রিক, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবনী, সহযোগিতামূলক ও সত্যনিষ্ঠ, এই শক্তিশালী মূল্যবোধগুলোতে উজ্জীবিত হয়ে গতানুগতিক মোবাইল অপারেটর কোম্পানি থেকে একটি টেক কোম্পানীতে পরিণত হয়ে ডিজিটাল পৃথিবীকে প্রতিটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বাংলালিংক এখন কাজ করে যাচ্ছে।

গ্রাহক অভিজ্ঞতাকে মূল লক্ষ্যে রেখে গ্রাহকদের সাথে যুক্ত হওয়া, যোগাযোগ করা, কাজ করার (অভ্যন্তরীণ ও বহির্মুখী) উপায়কে আরও আধুনিক করার জন্য এবং গ্রাহকের কাছে সার্ভিস পৌঁছে দেওয়ার গতানুগতিক পন্থাকে ডিজিটাল/অনলাইনে নিয়ে আসার জন্য ডিজিটালাইজেশন একটি প্রয়োজনীয়তা হয়ে উঠেছে। গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের উপযোগী পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে ডিজিটাল ভবিষ্যতের সর্বোত্তম সুবিধা পাওয়া এবং সত্যিকারের একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করাই বাংলালিংক-এর উদ্দেশ্য।

সময়ের সাথে সাথে বাংলালিংক-এর উন্নতির পেছনে আছে বিভিন্ন মার্কেট সেগমেন্ট টার্গেট করা, নেটওয়ার্কের ও কাস্টমার কেয়ারের দ্রুত উন্নতি করা, সারা দেশ জুড়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করা উদ্ভাবনী বিভিন্ন পণ্য ও সার্ভিস এবং এর মাধ্যমে বাংলালিংক একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে করেছে যাদের সাথে গ্রাহকদের গভীর হৃদ্যতার সম্পর্ক বিদ্যমান।

বাংলালিংক নিজের কর্মীদের জন্যেও সমান সুযোগ প্রদান করে এবং আইনলঙ্ঘনকারী কোনো কাজ বাংলালিংক সমর্থন করে না। বাংলালিংক হেডকোয়ার্টার ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) দ্বারা স্বীকৃত বাংলাদেশের প্রথম গ্রিন অফিস। শুরুটা হয়েছিল একটি সাধারণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে, এখন ডিজিটাল পৃথিবীকে প্রতিটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য বাংলালিংক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড টেলিকম ভেনচারস লিমিটেডের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান, যা গ্লোবাল টেলিকম লিমিটেড-এর ১০০% মালিকানাধীন একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান। ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে ভিওন লিমিটেড ও উইন্ড টেলিকম এস.পি.এ-এর ব্যবসা একীভূত হওয়ার পর থেকে ভিওন এখন গ্লোবাল টেলিকম লিমিটেড-এর ৫১.৯% শেয়ারের স্বত্বাধিকারী। ভিওন NASDAQ ও ইউরোনেক্সট আমস্টারডাম-এর তালিকাভুক্ত সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, যাদের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ২৩৫ মিলিয়নেরও বেশি গ্রাহকের কাছে ইন্টারনেট পৌঁছে দিয়ে বিপ্লব সৃষ্টি করা। রাশিয়া, ইতালি, আলজেরিয়া, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাকস্তান, ইউক্রেন, বাংলাদেশ ও লাওস-এ এই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের সেবা প্রদান করে আসছে। বিলাইন, কাইভস্টার, উইন্ড, জ্যাজ, বাংলালিংক ও জেজি নামে ভিওন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।