বাংলালিংক আবারও সফলতার সাথে একটি দারুণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছে এবং ভালো সঙ্গীতের প্রচারণায় তারা যে সবসময় আগ্রহী সেটি তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে জানান দিয়েছে। এই সময়ের তরুণদের মধ্যে প্রকৃতিতে বসন্তের আগমন আর ভালোবাসা দিবস নিয়ে উৎসাহের কমতি নেই, আর সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে তরুণদের জন্য বাংলালিংক দেশব্যাপী আয়োজন করেছিল “বসন্ত ভালোবাসায় খুশির উৎসব”। এই উৎসবে আমরা দেশজুড়ে পৌঁছে গিয়েছিলাম তরুণদের প্রিয় কয়েকটি স্থানে। সেগুলো হলোঃ

১০-১৫ ফেব্রুয়ারি, চলচ্চিত্র উৎসব “আমার ভাষার চলচ্চিত্র”, টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • ৫ দিন, ১৬টি চলচ্চিত্র, ১৬টি ফুল হাউজ শো

পহেলা ফাল্গুন উদ্‌যাপন, টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্যানডোরা, শাওন গানওয়ালা ও ক্যাম্পাসের অন্যান্য ব্যান্ড
  • ড্যান্স অফ চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে বেশি দিয়ে খুশি ছড়ানোর উৎসব উদ্‌যাপন

ভালোবাসা দিবস কনসার্ট, টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • ব্ল্যাক, অ্যাভয়েড রাফা, জোডিয়াক ও ক্যাম্পাসের অন্যান্য ব্যান্ড

ভালোবাসা দিবস কনসার্ট, রবীন্দ্র সরোবর, ধানমন্ডি, ঢাকা

  • চিরকুট, শাওন গানওয়ালা, আনিকা ও অন্যান্য উঠতি ব্যান্ড

ভালোবাসা দিবস কনসার্ট, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ

  • লালন, প্রাচীর ও ক্যাম্পাসের অন্যান্য ব্যান্ড

ভালোবাসা দিবস কনসার্ট, কুয়েট

  • ভাইকিংস, প্রতিচ্ছবি, অনিক ও ক্যাম্পাসের অন্যান্য ব্যান্ড

উৎসবের গেট খোলার আগে থেকেই, উৎসাহী তরুণরা ভিড় জমায় ভেন্যুতে। স্টেজে প্রিয় ব্যান্ড ওঠার আগের অপেক্ষার সময়টুকুতে বাংলালিংক-এর থিমেটিক বিজ্ঞাপনচিত্রের দারুণ সুরে মুগ্ধ ছিল সবাই। এছাড়াও ২১ ফেব্রুয়ারির ডিজিটাল কনটেন্টটিও দেখানো হয়েছে উৎসব চলাকালীন সময়ে।

শিল্পীরা দারুণ পারফরমেন্স উপহার দিয়েছেন প্রতিটি ভেন্যুতেই। দর্শকদের আনন্দে মুখর ছিল সবগুলো ভেন্যু।



“আমার ভাষার চলচ্চিত্র” শীর্ষক চলচ্চিত্র উৎসবটি উদ্বোধন করেছেন মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। বাংলালিংক-এর পক্ষ থেকে এসময় উপস্থিত ছিলেন জনাব তৈমুর রহমান, চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার; মোহাম্মদ নুরুল আলম, চিফ এথিকস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স অফিসার এবং কাজী উরফি আহমেদ, ব্র্যান্ডস অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স ডিরেক্টর। এছাড়াও অন্যান্য কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।