আমাদের চালিকাশক্তি

মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়ার জিএসএম নেটওয়ার্কের দ্রুত বর্ধমান মার্কেটে গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং এস.এ.ই. (পূর্ববর্তী ওরাসকম টেলিকম হোল্ডিং এস.এ.ই) অন্যতম বৃহৎ ও ডাইভারসিফাইড টেলিকম কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত। জুন, ২০১৩ পর্যন্ত প্রত্যক্ষভাবে কোম্পানিটির আওতাধীনে ছিল বিশ্বের প্রায় ৪৫ কোটি ৯০ লাখ মানুষ, যারা গড়ে ৫৩% মোবাইল টেলিফোনের আওতাভুক্ত। গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং এস.এ.ই. জিএসএম নেটওয়ার্কে রয়েছে আলজেরিয়া (ডিজেজি), পাকিস্তান (মোবিলিংক), বাংলাদেশ (বাংলালিংক)। এছাড়াও, গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং এর পরোক্ষ মালিকানায় রয়েছে টেলিসেল জিম্বাবুয়ে (জিম্বাবুয়ে)। ৩০ জুন, ২০১৩ পর্যন্ত গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং– এর ৮ কোটি ৬০ লাখ গ্রাহক বিদ্যমান ছিল। কায়রো ও আলেকজেন্দ্রিয়া স্টক এক্সচেঞ্জে “GTH.CA” এবং লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে “GLTD LI” প্রতীকের অধীনে গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং (ওরাসকম টেলিকম হোল্ডিং নামে পূর্ব পরিচিত) এর লেনদেন হয়ে থাকে।
২০১১ সালে উইন্ড টেলিকম ও ভিওন –এর সমন্বয়ের ফলে ভিওন এখন গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং এস.এ.ই. (ওরাসকম টেলিকম হোল্ডিং নামে পূর্ব পরিচিত)–এর ৫১% এর বেশি শেয়ারের স্বত্বাধিকারী।
ভিওন বিশ্বের বৃহত্তম ইন্টিগ্রেটেড টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিস অপারেটরদের মধ্যে অন্যতম। ভিওনের ট্রেডিশনাল এবং ব্রডব্যান্ড মোবাইল ও ফিক্সড প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রদত্ত ভয়েস এবং ডাটা সার্ভিস বিস্তৃত রয়েছে রাশিয়া, ইতালি, ইউক্রেন, কাজাকস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, আরমেনিয়া, জর্জিয়া, কিরগিজস্তান, লাওস, আলজেরিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং জিম্বাবুয়েতে। সারাবিশ্বে ভিওনের কার্যক্রমের আওতায় থাকা এলাকার মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৭৫ কোটি ৩০ লাখ। ২০১৩ সালের প্রথম ছয় মাসে ভিওনের ৭১% অপারেটিং রেভিনিউ ও ৭৩% EBITDA অর্জিত হয় ক্রমবর্ধমান মার্কেটসমূহ থেকে।
যেসব ব্র্যান্ডের অধীনে ভিওনের কার্যক্রম পরিচালিত হয় সেগুলো হলো বিলাইন, কিয়াভস্টার, উইন্ড, ইনফোসট্রাডা, মোবিলিংক, লিও, বাংলালিংক, টেলিসেল এবং ডিজেজি। ৩০ জুন, ২০১৩ পর্যন্ত ভিওনের সম্মিলিতভাবে ২১ কোটি ৫০ লক্ষ মোবাইল গ্রাহক ছিল।
ভিওন “VIP” প্রতীকের অধীনে NASDAQ Global Select Market এ লেনদেন হয়ে থাকে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য https://www.veon.com
সেপ্টেম্বর ২০০৪-এ, গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং এস.এ.ই. (পূর্ববর্তী ওরাসকম টেলিকম হোল্ডিং) বাংলাদেশের তৎকালীন সেবা টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেডের ১০০% ভাগ শেয়ার কিনে নেয়। এরপর গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং পুনরায় ব্র্যান্ডিং করে এবং বাংলালিংক নামধারণ করে ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ এ মার্কেটে আসে । মার্কেটে আসার পরপরই গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিং বাংলালিংককে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল সেবাদানকারী কোম্পানিতে পরিণত করার জন্য উন্নত সেবা প্রদান ও জিএসএম নেটওয়ার্ক-এর দ্রুত সম্প্রসারণ এবং সাশ্রয়ী মূল্যে সেবাদানের মতো কিছু আগ্রাসী ও সাহসী কৌশল অবলম্বন করে। ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ পর্যন্ত বাংলালিংক প্রায় ৩ কোটি ১৯ লাখের উপর গ্রাহককে সেবা প্রদান করছে, যা মোট মোবাইল সেবা গ্রহণকারী গ্রাহকের ২৪.৪%।